Archive for May, 2011
অনুভূতির অনুরণন – ১০
রাতের শেষ প্রহরে যখন নিজেরই ভুবনে অদৃশ্য আমি, মনের মাঝে ধুক ধুক চলতে থাকা যন্ত্রটা প্রায় অসয্য হয়ে আসছিলো তখন। সত্যিকারের একজন অদৃশ্য মানব হওয়ার স্বপ্ন দেখছি আমি। মনের মাঝে ছট্টো যে বাড়িটা আছে আমার সেখানে দৃশ্যমানদের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত। তা নাহলে তমাকেও নিয়ে যেতাম। – চার্লস, ঢাকা ০৮.১২.২০১০। Read more »
অনুভূতির অনুরণন – ০৯
হৃদয়ের অন্তহীন বালুচরে ভালোবাসার বীজ বুন্তে গিয়ে যে চাষী ভায়েরা আমার খুইয়েছো ধ্যান-জ্ঞ্যন, তোমাদের তরে আজ একটাই মিনতি – দোহাই লাগে, ভালো সার মেশাও ভাই। – চার্লস, ঢাকা ০২.১২.২০১০। Read more »
অনুভূতির অনুরণন – ০৮
“প্রত্যশা আর প্রাপ্তি”, কিনবা “স্বপ্ন আর বাস্তবতা” এদের মাঝে দূরত্ব কতোটুকু? যদি গজ ফিতা দিয়ে মাপা যেত তাহলে হয়তো বলা যেত। পাওয়া না পাওয়ার ব্যবধানকে যদি সঙ্গায়িত করতে নাই পারি তবে না পাওয়ার গ্লানী বুকে চেপে রেখে কি লাভ বলো? আজ ছুড়ে ফেলো সব বস্তাপচাঁ গ্লানী, চলো স্বপ্ন দেখি। – চার্লস, ঢাকা ১৪.১১.২০১০। Read more »
অনুভূতির অনুরণন – ০৭
রাতের অস্তিত্ব বুঝে উঠবার আগেই সকালের স্পর্শ অনুভব করি। সকালের সূর্যটাকে কে না দেখতে চায়, কিন্তু রাতের স্তব্ধতায় যে মাদকতা দানা বাধতে শুরু করে সকালের স্পর্শ তা নিমিশেই বিলিন করে দেয়। একটা নতুন দিন কিছু নতুন দায়িত্ব কাধে চাপিয়ে দেয়। দায়িত্ব এড়াতে নয় বরং তা কিছুটা বিলম্বিত করতেই রাতের অস্তিত্ব উপলব্ধি করার এই প্রয়াশ। নিশাচরদের Read the Rest… Read more »
অনুভূতির অনুরণন – ০৬
হৃদয়ে আনাগোনা স্বপ্নের বেড়াজালে আবদ্ধ এক যুবকের হৃদয়, চোখে-মুখে উচ্ছোসিত উন্মাদনা, তথাকথিত বাস্তবতার অন্তরালে সুখ-দুঃখের ব্যবচ্ছেদ করা এই হৃদয়ের কাজ নয়। স্নায়ুতন্ত্রে কিছু সৃষ্টিশীল নিউরো-কানেকশান ঘটানোর চেষ্টা যেন চলছে অবিরত। হঠাৎ স্বপ্নে বেদনার হাতছানি, মূহুর্তেই সব সৃষ্টিশীল ভাবনার অপমৃত্যু। তিলতিল করে বেদনার রেশ দানা বাধতে শুরু করে, আর এক সময় স্বপ্নালোকের সেই যুবক আচমকা নিজেকে Read the Rest… Read more »
